
বিশেষ প্রতিনিধি : সাবেক নৌ-প্রতিমন্ত্রী Khalid Mahmud Chowdhury–এর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, নিয়োগ বাণিজ্য, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং নৌ-পরিবহন খাতে অনিয়মের নানা অভিযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তার নিজ জেলা দিনাজপুরের কয়েকজন রাজনৈতিক কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দা দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তার ঘনিষ্ঠদের মাধ্যমে এলাকায় প্রভাবশালী একটি বলয় গড়ে ওঠে, যার কারণে অনেক নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হন।
অভিযোগকারীদের দাবি, বিভিন্ন সরকারি ও আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে এবং রাজনৈতিক পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে প্রভাব খাটানো হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য দলিল বা আদালতের রায় এই প্রতিবেদকের হাতে আসেনি।

স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি অভিযোগ করেন, দিনাজপুরের বিরল ও বোচাগঞ্জ এলাকায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং দলীয় ভিন্নমতের নেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হতো। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির মাধ্যমে এলাকায় ভীতি ও প্রভাবের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল।

অন্যদিকে, খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সমর্থকরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তাদের দাবি, তিনি নৌ-পরিবহন খাতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে ভূমিকা রেখেছেন এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তাকে লক্ষ্য করে একতরফা অভিযোগ আনা হচ্ছে।
সুশাসন ও দুর্নীতি পর্যবেক্ষকদের মতে, সাবেক মন্ত্রী, এমপি বা সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত যেকোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ তদন্ত, তথ্য-প্রমাণ যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুসন্ধানই সত্য উদ্ঘাটনের একমাত্র গ্রহণযোগ্য পথ।
তারা বলেন, অভিযোগ যত গুরুতরই হোক না কেন, তা প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে দোষী বা নির্দোষ ঘোষণা করা উচিত নয়।
