পরিবারের ত্যাগের মূল্যায়ন চান জেসমিন আক্তার

Uncategorized গ্রাম বাংলার খবর বিশেষ প্রতিবেদন রাজনীতি সংগঠন সংবাদ সারাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি  :   ১৭ বছর ধরে পরিবারটতে চলেছে একের পর এক নির্যাতন। হামলায় নিহত হয়েছেন ভাসুর। পরিবারের একাধিক সদস্য বিভিন্ন সময়ে জেল খেটেছেন। গ্রেপ্তার ভয়ে ছোট্ট সন্তানকে হোস্টেলে রেখে পড়িয়েছেন।


বিজ্ঞাপন

এসবের মূল্যায়ন চান অ্যাডভোকেট জেসমিন আক্তার। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ওই নারী নেত্রী সংরক্ষিত নারী আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন লাভের আশায় আছেন।

অ্যাডভোকেট জেসমিন আক্তার বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শকে মনে প্রাণে লালন করে চিরকাল এ দলের জন্য কাজ করে যেতে চাই। চিরকাল এই দলের জন্য নিবেদিত থাকবো। এটাই আমার একমাত্র মনের টান।’


বিজ্ঞাপন

তিনি জানান, চট্টগ্রাম সেনানিবাসে বাবার সরকারি চাকরির সুবাদে ছোটবেলা থেকে শিক্ষাজীবন পর্যন্ত সময়কাল অবস্থান করেছেন। কলেজ জীবন থেকে জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।


বিজ্ঞাপন

তিনি আরো জানান, ২০০৯ সালে জেলা মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হন। ২০১২ সালে সদর উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি পদ লাভ করেন। পরবর্তীতে দলের বিভিন্ন পদবূতে আসীন হন। এছাড়া আইনজীবী ফোরামের পদেও ছিলেন।

জেসমিন আক্তার বলেন, ‘আমার ভাসুর ও আপন ফুফাতো ভাই বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট শেখ মো. হাবিবুল্লাহ ২০০৬ সালের ২৭ অক্টোবর সন্ত্রাসীদের বোমা হামলায় নিহত হন। বিডিআর হত্যাকান্ডে নিহত ৫৭ জন সেনা সদস্যের একজন কর্ণেল এমদাদ সম্পর্কে আমার কাকা হন।

 

ওনার পিতা ক্যাপ্টেন আব্দুল মোতালেব সামরিক বাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীনতা যুদ্ধে লড়াই করেছেন। একই সেক্টরে আমার মামা হাবিলদার আব্দুর রহিম জিন্নাহ, বড় কাকা হাবিলদার আব্দুল আজিজ উনারা মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে একই সেক্টরে একই রেজিমেন্টে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।

তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ১০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। আমার আপন দেবর শেখ মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমার শ্বশুরবাড়ির ১৪ জন জেল খাটেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘২০১৪ সালে আমার দেবর হাফিজকে বাসার নিচতলা থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। আমার সন্তানরা ছিল তখন ছোট। বড় ছেলে ক্লাস সিক্সে পড়তো। তাকে আমি বাথরুমে লুকিয়ে রাখি। পুলিশ ধরে নিয়ে যাবে মামলা দিবে সেই ভয়ে আমি আমার এই ছোট্ট ছেলেকে তখন থেকেই হোস্টেলে রেখে পড়ানোর সিদ্ধান্ত নেই।’

👁️ 19 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *