পাহাড় ও টিলা কাটা বন্ধে প্রতিমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা  :  তদন্ত কমিটি গঠন

Uncategorized আইন ও আদালত জাতীয় ঢাকা প্রশাসনিক সংবাদ বিশেষ প্রতিবেদন রাজধানী সারাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক  : পাহাড় ও টিলা কাটা বন্ধে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম কঠোর নির্দেশনা প্রদানের পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারকে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রদান করেন।


বিজ্ঞাপন

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯:০০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে “পাহাড় ও টিলা কাটা বন্ধে করণীয় নিরূপণ” শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতির বক্তৃতায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এ নির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত “খাগড়াছড়িতে তিন মাসে আট পাহাড় বিলীন” শিরোনামের সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠনপূর্বক কমিটিকে আগামী ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে পরিবেশ অধিদপ্তর বা অন্য কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


বিজ্ঞাপন

সভায় জানানো হয়, খাগড়াছড়ি জেলা সদরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে সদর উপজেলার খাড়িছড়া মাস্টারপাড়া এলাকা থেকে ২টি এক্সকেভেটর জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া, মানিকছড়ি উপজেলার তিনটহরী এলাকায় ১ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে এবং উপজেলার যোগ্যাছোলা ইউনিয়নের ও বাটনাটলীতে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।


বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে, সম্প্রতি সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ শাহ-আরেফিন টিলায় পরিচালিত অভিযানে ১০টি পাথর উত্তোলন যন্ত্রের বিভিন্ন অংশ ধ্বংস করা হয় এবং তিনটি পাথরবোঝাই ট্রাক জব্দ করে অকেজো করে দেওয়া হয়। পাথর উত্তোলন কাজে থাকা ৩ জনকে আটক করে বিচারে সোপর্দ করা হয়।

সভায় প্রতিমন্ত্রী কঠোর নির্দেশনা প্রদান করে বলেন যে, পাহাড় কাটায় এক্সকেভেটর ব্যবহার বন্ধে কঠোর নজরদারি জোরদার করতে হবে। এক্সকেভেটর ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখপূর্বক স্থানীয় প্রশাসনের (জেলা ও উপজেলা) পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক করা হবে।

ইটভাটায় ব্যবহৃত মাটির উৎস যাচাই ছাড়া কোনো অনুমতি দেওয়া যাবে না। ইটভাটায় কৃষি জমির মাটি ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরিবেশ অধিদপ্তরের দায়েরকৃত মামলাগুলোর তদন্তপূর্বক দ্রুত নিষ্পত্তি করে এবং আসামিদের গ্রেফতার নিশ্চিত করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ ও প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করে পাহাড় ও পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

👁️ 63 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *