
নিজস্ব প্রতিবেদক : “বাংলাদেশ আমার অহংকার”- এই স্লোগান নিয়ে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

র্যাব সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূলের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতারক চক্রের সদস্যদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য সর্বদা সচেষ্ট। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৪, সিপিসি-৩ ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এর নেতৃত্বে একটি চৌকস আভিযানিক দল ৩০ এপ্রিল ২০২৬ দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১২ জন দালাল চক্রের সদস্যকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা যথাক্রমে, মোমেন মোল্লা, (৪২), নাসির উদ্দীন (৩৫), পাপ্পু মিয়া (৩৭), হৃদয় চন্দ্র শীল ৩৭, রুমা বেগম (৩৩), লায়লা বেগম (৪০), আমেনা বেগম (৪২), রেনু বেগম (৪৫), জেলেনা আক্তার (৪০), সালমা আক্তার (৩৮), কাজলী আক্তার (৪৫) এবং সেলিমা বেগম (৩২)।

র্যাব-৪, সিপিসি-৩ সুত্রে জানা যায় যে, র্যাব গোপন সূত্রে জানতে পারে মানিকগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতাল এলাকায় একটি চক্র চিকিৎসা সেবা প্রদানে সাধারন মানুষের হয়রানি করে আসছিল। এই চক্রের সদস্যরা সরকারি হাসপাতালে সেবা নিতে আসা স্বল্পশিক্ষিত গরীর ও অসহায় রোগিদের কমখরচে ভালো মানের চিকিৎসা ও বিভিন্ন টেষ্ট করানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে কৌশলে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করত। এবং বিনিময়ে তারা উক্ত বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে টাকা পেত। পরবর্তীতে র্যাব-৪ এর আভিযানিক দল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার আল মাসুদ এর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে দালাল চক্রের ১২ জন সদস্যকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা বেসরকারি হাসপাতাল থেকে কমিশন পেয়ে সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগীদের ভুল বুঝিয়ে কৌশলে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করার বিষয়টি স্বীকার করে। পরবর্তীতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার আল মাসুদ এই চক্রের ১২ জন সদস্য কে ৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রাদান করে।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।
