
মোঃ হাবিবুর রহমান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় একটি আমগাছের ডালের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় মাফুজ (৬০) নামে এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

সোমবার রাত সাড়ে ৮ টায় উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের উত্তর টনকি এলাকার ফজলুর রহমান মিয়ার দীঘিরপাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত মাফুজ ওই এলাকার মৃত ফিরোজ মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত মাফুজ গত কয়েক মাস আগে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (ব্রেইন স্ট্রোক) হওয়ার পর থেকে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। তিনি প্রায়ই কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতেন এবং আত্মহত্যার কথা বলতেন।

এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার রাতে তিনি বাড়ির পাশের দীঘিরপাড়ের একটি আমগাছের ডালে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে আখাউড়া থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থ

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জাবেদ উল ইসলাম জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ সোমবার রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় একটি আমগাছের ডালের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় মাফুজ (৬০) নামে এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
সোমবার রাত সাড়ে ৮ টায় উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের উত্তর টনকি এলাকার ফজলুর রহমান মিয়ার দীঘিরপাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত মাফুজ ওই এলাকার মৃত ফিরোজ মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত মাফুজ গত কয়েক মাস আগে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (ব্রেইন স্ট্রোক) হওয়ার পর থেকে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। তিনি প্রায়ই কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতেন এবং আত্মহত্যার কথা বলতেন।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার রাতে তিনি বাড়ির পাশের দীঘিরপাড়ের একটি আমগাছের ডালে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে আখাউড়া থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জাবেদ উল ইসলাম জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ সোমবার রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
