নিয়োগ বিধি অমান্য করে শর্ত ভঙ্গকারীদের পদোন্নতি অস্বাভাবিক

শিক্ষাঙ্গন

সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০১৮ সালে নব সৃষ্ট সিনিয়র শিক্ষক পদে পদোন্নতির জন্য সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের পাঁচ বছরের মধ্যে বিএড ডিগ্রি অর্জন বাধ্যতামূলক। এই নির্দেশনা দেয়া আছে প্রতিটি বিধিতে।
এক. ১৯৯১ এর নিয়োগ বিধিমালার আলোকে অদ্যাবধি প্রতিটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে পাঁচ বছরের মধ্যে বিএড ডিগ্রি অর্জন একমাত্র নিয়োগ শর্ত হিসেবে নির্ধারণ করা আছে।
দুই. ২০১৮ সালে সংশোধিত নিয়োগ বিধিমালায় ১৯৯১ এর নিয়োগ বিধি বহাল রেখে সিনিয়র শিক্ষক পদটি সৃষ্টি করা হয়েছে। যেখানে প্রবেশ পদ সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ লাভের পাঁচ বছরের মধ্যে বিএড ডিগ্রি অর্জনের শর্ত বহাল আছে।
তিন. মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এর সিটিজেন চার্টারে পাঁচ বছরের মধ্যে বিএড ডিগ্রি অর্জনের শর্ত অন্তর্ভুক্ত আছে।
চার. বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ের নবম ও দশম গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তাদের পদোন্নতির জন্য কমিশনের সুপারিশ বিধিমালায় নিয়োগবিধির আলোকে ডিপিসি সভার প্রতি নির্দেশনা রয়েছে।
পাঁচ. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০১১ সালের সংশোধিত ডিপিসি ছকে পদোন্নতি কমিটি গঠন ও কার্যপরিধিতে নিয়োগ বিধির শর্ত পালন সাপেক্ষে পদোন্নতির জন্য সুপারিশের নির্দেশনা আছে।

তাই পদোন্নতির শর্ত অনুসরণ না করে যা হবে তার বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে বলে নিশ্চিত করেছে শর্ত পালনকারী সাধারণ শিক্ষকরা। তাদের ভাষ্যমতে, শর্ত পালনকারী সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দিতে আইনী জটিলতা নেই। তাই তাদের পদোন্নতিতে কোনো বাধা দেয়া হবে না। কিন্তু শর্ত ভঙ্গকারীদের অন্তর্ভুক্ত করা হলে কেবল তাদের বিরুদ্ধে আইনের আশ্র‍য় নিতে তারা প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছে। তারা আরো জানায় শর্ত ভঙ্গকারীদের পদোন্নতি দিতে যারা সুপারিশ করবে তাদেরও আদালতের মুখোমুখি হতে হবে।
শিক্ষক প্রতিনিধিত্ব করে এমন অনেকে নিশ্চিত করেছে- দীর্ঘদিন চাকুরি করেও সরকারি মাধ্যমিকের শিক্ষকরা পদোন্নতি বিহীন অবসরে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও মুজিববর্ষে বিধি অনুযায়ী পদোন্নতি নিশ্চিত করার উদাত্ত আহবান জানায় শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।