
শার্শা (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়ার ‘কাচ্চি বাড়ি’ নামের একটি রেস্তোরাঁয় খাবারের ভেতরে মরা ‘কেন্নো’ পাওয়ার মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। কেন্নো পাওয়ার বিষয়টি রেস্তোরাঁর কর্মচারীরা দেখতে পেলেও প্রতিষ্ঠানের মালিক সম্পূর্ণ বিষয়টি অস্বীকার করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, বাগআঁচড়া এলাকার আব্দুল আলিমের ছেলে রায়হান স্থানীয় ‘কাচ্চি বাড়ি’ নামে রেস্তোরাঁ থেকে এক প্লেট খিচুড়ি কিনে খাওয়া শুরু করেন। খাওয়ার একপর্যায়ে খিচুড়ির ভেতর আস্ত একটি কেন্নো ভেসে ওঠে। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে সেখানে থাকা হোটেলের দায়িত্বরত লোকজনকে দেখালে তারা এর সত্যতা দেখতে পান। তবে হোটেলের মালিক জামাল হোসেন উপস্থিত হয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং খিচুড়িতে কেন্নো থাকার কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন।
ভুক্তভোগী রায়হান জানান, “আমি খিচুড়ি খাওয়ার সময় কেন্নোটি দেখতে পাই। রেস্তোরাঁর কর্মচারীরাও বিষয়টি স্পষ্ট দেখেছে। কিন্তু মালিক জামাল হোসেন তা কোনোভাবেই মানতে চাননি, উল্টো অস্বীকার করেন। জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এমন নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের বিচার হওয়া দরকার।”

এদিকে খাবারের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে এমন গাফিলতি এবং তা নিয়ে মালিকপক্ষের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, এর আগেও এলাকায় বেশ কিছু খাবারের দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরির অভিযোগ উঠেছে।

এবিষয়ে হোটেল মালিক জামাল হোসেন বলেন, আমি খিছুড়ির ভেতর তেমন কিছুই দেখতে পাইনি।
এ বিষয়ে বাগআঁচড়ার খাবার দোকানগুলোতে নিয়মিত তদারকি চালানো এবং উক্ত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।
