
মোঃ সাইফুর রশিদ চৌধুরী : গোপালগঞ্জ-১ (কাশিয়ানী-মুকসুদপুর) আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ে বড় পরিবর্তন এলো। ঋণখেলাপির অভিযোগে বাতিল হওয়া গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী কাবির মিয়ার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। আজ মঙ্গলবার হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর ফলে তার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।

এর আগে, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা কাবির মিয়াকে ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করে তার প্রার্থিতা বাতিল করেন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেছিলেন। তবে দীর্ঘ শুনানির পর ইসিও রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত বহাল রাখে এবং তার আপিল খারিজ করে দেয়।
ইসির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে কাবির মিয়া হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। আদালতে তার পক্ষে আইনজীবীরা যুক্তি দেখান যে, ঋণ সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন হয়েছে এবং তিনি আইনত খেলাপি নন। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন এবং কাবির মিয়ার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে তাকে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দের নির্দেশ দেন।

আদেশ পরবর্তী তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় কাবির মিয়া বলেন, “আমি বরাবরই বলে এসেছি আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি সঠিক ছিল না। আজ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমি আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের লড়াই চালিয়ে যাব।”

কাবির মিয়ার প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার খবরে গোপালগঞ্জ-১ আসনের তার সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। কাশিয়ানী ও মুকসুদপুর এলাকায় তার সমর্থকরা মিষ্টি বিতরণ করেছেন। স্থানীয় বিশ্লেষকদের মতে, কাবির মিয়ার ফিরে আসা এই আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
