
নিজস্ব প্রতিনিধি ,(খুলনা) : খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিজানের জামাই কাজী নিজাম উদ্দিন সুজনকে ঘিরে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি তার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে এবং একাধিক ব্যবসায়িক সূত্রের পক্ষ থেকে গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে।

ব্যবসায়িক অংশীদার ও পাওনাদারদের দাবি, সুজনের বিরুদ্ধে প্রায় ৭০–৮০ কোটি টাকার দেনা রয়েছে। তাদের অভিযোগ, আওয়ামীলীগ সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা নেওয়ার পর তিনি তা পরিশোধ না করার পরিকল্পনা করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, পাওনাদারদের চাপ বাড়তে থাকায় সুজন হঠাৎ করে নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজান। সুজন বেনাপোল বোর্ডার পার হওয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় ব্যর্থ হয়,পরে তিনি ভাঙ্গা,ফরিদপুর কাছে একটি মাজারে আশ্রয় নেন, সেইখান থেকে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেন এবং সে মানুষিক রুগী দাবি করায় তাকে পুলিশ ever care hospital ভর্তি হওয়ার সুযোগ দেয়। পাওনাদারদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি অসুস্থতার ভান করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

অভিযোগ রয়েছে, এর আগেও তিনি বিভিন্ন সময় অসুস্থতার কথা বলে চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র ও ওষুধের বিষয় দেখিয়ে সময়ক্ষেপণ করতেন। কিন্তু সম্প্রতি যখন পাওনাদাররা জোরালোভাবে টাকা ফেরত চাইতে শুরু করেন, তখনই এই নিখোঁজ নাটকের ঘটনা সামনে আসে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। তিনি এর পূর্বে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উপর ব্যবসায়ীদের দাবি, তিনি যেন অন্য দেশে যেতে না পারে, এই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

এ ঘটনায় ব্যবসায়িক মহলে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। পাওনাদাররা দাবি করছেন, প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং তাদের পাওনা অর্থ ফেরত নিশ্চিত করা হোক।
তবে এ বিষয়ে সুজন বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশও বিষয়টি তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।
