বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

Uncategorized জাতীয় ঢাকা বিশেষ প্রতিবেদন রাজধানী রাজনীতি সংগঠন সংবাদ সারাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক  :  বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ,  রাজধানীর তোপখানা রোডের ট্রপিকানা টাওয়ারের লেভেল-৫ এ অবস্থিত ফেনী সমিতি কার্যালয়ে। আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি গঠন করা হয়।


বিজ্ঞাপন

সম্মেলনে মোঃ নূরুল ইসলামকে সভাপতি এবং মোঃ মোজাহিদুল ইসলাম সেলিমকে মহাসচিব করে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব জনাব ড. ফরিদুল ইসলাম, জনাব জাকির হোসেন কামাল, জনাব মোঃ মাহবুবুর রহমান এবং জনাব এ কে এম এহসানুল হক।


বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে পরিষদের সভাপতি মোঃ নূরুল ইসলাম ও মহাসচিব মোঃ মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও কার্যকরী সভাপতি মো: হোছাইনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।


বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাবেক সচিব ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন- যারা বিগত দিনে খেয়ে না খেয়ে আমাদের সাথে মামলা-মোকদ্দমা, ঝড়-ঝঞ্জা, নানা বিপদ কিংবা নিজের চাকরি হারানোর ভয় উপেক্ষা করে পল্টনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন, তাদেরকে অবশ্যই প্রথম সারিতে রাখতে হবে। লাইন ক্রস করা যাবেনা। যাদের ত্যাগ বেশি তারা সামনের সারিতে থাকবেন।

যোগ্যতা দিয়ে প্রমাণ করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। আমরা আপনাদের সব বিষয় উপলদ্ধি করি। অধৈর্য হবার কিছু নেই। সরকার অনেক বড় সকলকে নিয়েই সরকার কাজ করবে। সরকার চালাতে হলে বিশ্বস্থ লোক প্রয়োজন। তাই সরকার হতে আপনাদের ডাক আসবে। এছাড়াও তিনি জাতীয়তাবাদী শক্তির সকলকে এক হয়ে কাজ করার আহবান জানান।

সাবেক সচিব জনাব জাকির হোসেন কামাল বলেন, আমি দেখেছি আপনারা কিভাবে খেয়ে না খেয়ে কতটা অসহায় অবস্থায় বছরের পর বছর বিভিন্ন কলোনীতে ঘুরে ঘুরে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে একত্রিত করেছেন।

জাতীয়তাবাদী শক্তির পক্ষে কাজ করার কারণে আপনারা কি পরিমাণ হয়রানীর স্বীকার হয়েছেন। সরকার মাত্র ক্ষমতায় আসছে অধৈর্য হওয়া যাবেনা। এমন কোন কাজ করা যাবেনা যাতে জাতীয়তাবাদী শক্তির দুর্নাম হয়। আপনারা দেখেছেন বেগম খালেদা জিয়া,  তারেক রহমানকে কিভাবে অত্যাচার করা হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সম্পর্কে যে অবজ্ঞাসূচক আচরণ করা হয়েছে, সে তুলনায় আমাদের ত্যাগ কিছুইনা। কোনরূপ দুর্নীতি ও অনিয়মের সাথে আমরা কেহ জড়াবোনা যাতে জাতীয়তাবাদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়।

বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের উপদেষ্টা ও সাবেক সচিব এ কে এম এহসানুল হক বলেন, আপনারা বিগত সময়ে নিজেদের মন্ত্রী/এমপি বানানোর জন্য কাজ করেননি। শুধুমাত্র জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ক্ষমতায় আনার জন্য কাজ করেছেন।

কিন্তু সরকার ক্ষমতায় আসার পর আপনারা কেউ কিছু পাননি। সে ব্যর্থতা আমাদেরও আছে। কিন্তু সরকার ক্ষমতায় আসছে খুব অল্প সময়। আমি আশা করি সামনে আপনাদের সুযোগ আসবে। আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে আপনাদের চাকরি হারানোর বিষয়টি সবচেয়ে ভাল জানতেন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশ নায়ক জনাব তারেক রহমানও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন।

কিন্তু তিনি অনেক ব্যস্ত । বিষয়টি আমরা তাকে স্মারণ করিয়ে দিব। আপনাদের ত্যাগের কথা তুলে ধরলে কেউ আপনাদের ফেলে দিতে পারবেনা।

আমাদের আন্দোলন সংগ্রামের জন্যই জাতীয়তাবাদী দল আজ ক্ষমতায় আসছে, এ কৃতিত্ব কারো একার নয়। তাই আমাদেরকে মূল্যায়ন করতে হবে।

তবে দল ক্ষতিগ্রস্থ হয় এমন কোন কাজ করা যাবেনা। চাকরি যাওয়ার পর আপনারা অনেকে ঈদের দিনও ভাল খাবার সন্তানদের মূখে তুলে দিতে পারেননি, এমনকি সন্তানদের স্কুলের বেতন পযন্ত দিতে পারেননি সবকিছুই আমাদের জানা আছে।

👁️ 24 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *