!! বিশেষ প্রতিবেদন !! “জিয়া–খালেদার আইনজীবীসুলভ রাজনীতি বনাম আজকের বিএনপি: মিডিয়া হাউস, সম্পাদক ও ভারতঘেঁষা আত্মসমর্পণের গল্প”

Uncategorized আইন ও আদালত ইতিহাস ঐতিহ্য জাতীয় ঢাকা বিশেষ প্রতিবেদন রাজধানী রাজনীতি সংগঠন সংবাদ সারাদেশ

বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ছবি -সংগীত।


বিজ্ঞাপন

বিশেষ প্রতিবেদক : বাংলাদেশের রাজনীতিতে আজ সবচেয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্নটি কেউ করতে চায় না— বর্তমান বিএনপি কি আদৌ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক মতাদর্শ বহন করছে? আর এই প্রশ্নটি না আসার পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে কিছু নির্দিষ্ট মিডিয়া হাউস ও সম্পাদকীয় শক্তি।

জিয়া–খালেদা: আইনজীবীর মতো রাজনীতি : শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া রাজনীতি করেছেন একজন আইনজীবীর মতো— প্রমাণ ছাড়া অভিযোগ নয়,
সার্বভৌমত্বে আপোষ নয়, বিদেশি শক্তির কাছে রাজনৈতিক জামিন নয়, এই দর্শনের কারণে— জিয়া সামরিক শাসক হয়েও বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন খালেদা জিয়া দিল্লির চাপ উপেক্ষা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার রক্ষা করেছিলেন, এটাই ছিল বিএনপির আদর্শিক মেরুদণ্ড।


বিজ্ঞাপন

আজকের বিএনপি: নীরবতা, দ্ব্যর্থতা ও সুবিধাবাদ : আজকের বিএনপির বড় দুর্বলতা— ভারতীয়, আগ্রাসন বা প্রভাব নিয়ে স্পষ্ট অবস্থানের অভাব, মিডিয়ার মিথ্যা ফ্রেমিংয়ে প্রতিবাদহীনতা “সবাইকে খুশি রাখি” রাজনীতি, এই নরমপন্থাই সুযোগ করে দিচ্ছে— ভারতঘেঁষা বর্ণনাকে, ‘র’-এর প্রপাগান্ডাকে, বিএনপিকে আত্মপক্ষসমর্থনহীন অবস্থায় ঠেলে দিতে এটা জিয়ার বিএনপি ছিল না। এটা খালেদার বিএনপি ছিল না। নির্দিষ্ট মিডিয়া হাউস ও সম্পাদকদের ভূমিকা এখানে নাম নিতে হবে।


বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো : সম্পাদকীয় লাইনে দীর্ঘদিন ধরেই— বিএনপির ভারত বিরোধী, অবস্থানকে চরমপন্থা হিসেবে ফ্রেম, আওয়ামী শাসনের সময় রাষ্ট্রীয় দমনকে স্থিতিশীলতা হিসেবে উপস্থাপন, জিয়া–খালেদার জাতীয়তাবাদ এখানে বরাবরই অস্বস্তিকর।

ডেইলি স্টার : ইংরেজি পাঠকের কাছে— ভারতীয় ভূরাজনৈতিক বয়ানকে রিজনেবল হিসেবে তুলে ধরা, বিএনপির সার্বভৌমত্ব কেন্দ্রিক বক্তব্যকে পপুলিজম বলা এটি সাংবাদিকতা নয়— এটি পলিসি ফ্রেমিং। ডিবিসি / চ্যানেল ২৪ / সময় টিভি টকশো সংস্কৃতিতে— খুন, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসে নরম প্রশ্ন, বিএনপি ও জুলাই ঘরানার নেতৃত্বে আগ্রাসী জেরা, একই ঘটনা, দুই মানদণ্ড।

সম্পাদকীয় নীরবতা: সবচেয়ে বড় অপরাধ : এই মিডিয়া হাউসগুলোর কোনো সম্পাদক— সীমান্ত হত্যা নিয়ে নিয়মিত সম্পাদকীয় লেখেন না, ভারতের একতরফা সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন না বাংলাদেশের সার্বভৌম স্বার্থকে লাল লাইন বানান না, কিন্তু— বিএনপির অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা নিয়ে নিয়মিত লিখবেন, নেতৃত্ব নিয়ে সন্দেহ তৈরি করবেন এটাই লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতির মিডিয়া সংস্করণ।

বিএনপির জন্য সতর্কবার্তা  :  বিএনপি যদি ভাবে— মিডিয়ার সঙ্গে আপোষ করলেই রেহাই, দিল্লিকে অস্বস্তিতে না ফেললেই টিকে থাকা যাবে, তাহলে তারা ইতিহাস থেকে কিছুই শেখেনি। জিয়া আপোষ করেননি—তাই হত্যা করা হয়েছে। খালেদা আপোষ করেননি—তাই জেলে পচানো হয়েছে। আপোষ করে কেউ রক্ষা পায় না। আপোষ শুধু পতনকে বিলম্বিত করে।

উপসংহার: ফিরে যেতে হবে, না হলে হারাতে হবে : বিএনপিকে ফিরতে হবে— জিয়ার স্পষ্টতায়, খালেদার দৃঢ়তায়
আইনজীবীসুলভ রাজনৈতিক সাহসে, নইলে— মিডিয়া প্রতিদিন নতুন ফ্রেম বানাবে, ভারতঘেঁষা রাজনীতি আপনাকে গিলে খাবে, আর দলটি থাকবে নামেমাত্র ইতিহাস কাউকে অপেক্ষা করায় না।

বিশেষ অনুসন্ধান ডেস্ক :  (জাতীয়তাবাদী রাজনীতি ও মিডিয়া বিশ্লেষণ)।

👁️ 64 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *